সূরা ত্বা-হা
قَالَ فَٱذْهَبْ فَإِنَّ لَكَ فِى ٱلْحَيَوٰةِ أَن تَقُولَ لَا مِسَاسَ ۖ وَإِنَّ لَكَ مَوْعِدًا لَّن تُخْلَفَهُۥ ۖ وَٱنظُرْ إِلَىٰٓ إِلَـٰهِكَ ٱلَّذِى ظَلْتَ عَلَيْهِ عَاكِفًا ۖ لَّنُحَرِّقَنَّهُۥ ثُمَّ لَنَنسِفَنَّهُۥ فِى ٱلْيَمِّ نَسْفًا
Qāla fażhab fa inna laka fil-ḥayāti an taqūla lā misās(a), wa inna laka mau‘idal lan tukhlafah(ū), wanẓur ilā ilāhikal-lażī ẓalta ‘alaihi ‘ākifā(n), lanuḥarriqannahū ṡumma lanansifannahū fil-yammi nasfā(n).
মূসা বললেনঃ দূর হ, তোর জন্য সারা জীবন এ শাস্তিই রইল যে, তুই বলবি; আমাকে স্পর্শ করো না, এবং তোর জন্য একটি নির্দিষ্ট ওয়াদা আছে, যার ব্যতিক্রম হবে না। তুই তোর সেই ইলাহের প্রতি লক্ষ্য কর, যাকে তুই ঘিরে থাকতি। আমরা সেটি জালিয়ে দেবই। অতঃপর একে বিক্ষিপ্ত করে সাগরে ছড়িয়ে দেবই।
📝 ফুটনোট / টিকা
480) হযরত মুসা (আ.)-কে স্পর্শ করার ওপর নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য ছিল যেন সামিরী দুনিয়াতে শাস্তি হিসেবে সম্পূর্ণ একাকী ও বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন করে। আর আখেরাতের শাস্তি হিসেবে তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।